মানুষ কীভাবে এমন জ’ঘন্য কাজ করে, রাতে দু’ধের মধ্যে ওষুধ মি’/শিয়ে নিজের বো...
নরসিংদীতে ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাপড়ুয়া মেয়েকে প্রায় ছয় মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তারই বাবা হালিম মিয়ার (৪০) বিরুদ্ধে। ধর্ষণের সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণও করতেন । বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদী সদর উপজেলার শিলমান্দী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযুক্ত হালিম মিয়া পেশায় মিশুকচালক। তিনি দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রীর এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং দ্বিতীয় স্ত্রীরও এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর ১৪ বছর বয়সী বড় মেয়েটিই দীর্ঘদিন ধরে তার নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল।
স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা জীবিকার তাগিদে প্রবাসে থাকেন। এ সুযোগে সৎ মা বাসার বাইরে থাকলে খালি বাসায় মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেন বাবা। ধর্ষণের পর ঘটনার ভিডিও নিজ মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখতেন বলেও অভিযোগ রয়েসম্প্রতি ভুক্তভোগীর সৎ বোন গর্ভবতী হওয়ায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় হালিমের মোবাইল ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে তিনি ধর্ষণের ভিডিও দেখতে পান। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত হালিম মিয়াকে আটক করার জন্য তার বাড়িতে গেলে বিষয়টি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যান এবং ভুক্তভোগী মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাশিলমান্দী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাসুদ ভূইয়া বলেন, “জীবিকার তাগিদে ভুক্তভোগীর মা প্রবাসে যান। সৎ মা বাসা থেকে বের হলে খালি বাসায় সুযোগ পেয়ে হালিম প্রায় সময়ই ১৪ বছরের শিশুটিকে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছে। প্রায় ৬/৭ মাস ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের পর সে নিজেই ছোট ছোট ভিডিও করে রাখত। ভুক্তভোগীর সৎ বোন গর্ভবতী হওয়ায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে হালিমের ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে এসব ভিডিও দেখতে পায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা হালিমকে ধরতে যাই, তবে সে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।”স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ মিয়া বলেন, “মেয়েটি প্রায় ছয় মাস ধরে বাবার কাছে ধর্ষণের শিকার হয়ে আসছে। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। আবার ধর্ষণের ভিডিও করেও রাখত। হালিম যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তা ১০০টি হত্যার চেয়েও ভয়ংকর। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
৯
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মুসা বলেন, “এই গ্রামে এর আগে এমন ঘটনা ঘটেনি। আমরা এ ঘটনার কঠিন বিচার চাই। এমন বাবা যেন কারও না হয়।”
নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এম আর আল মামুন বলেন, “ভুক্তভোগী মেয়েকে আমরা উদ্ধার করেছি। আগামীকাল তার মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। তার বাবা পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”য়।ছে।
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment